মোর চাওয়া
তুমি আজ অনেক অনেক দুরে দেশ ছেড়ে দেশান্তরে, পড়ে কি আমায় মনে? হইতো নেই আমি তোমা অন্তরে।
তুমি আজ অনেক অনেক দুরে দেশ ছেড়ে দেশান্তরে, পড়ে কি আমায় মনে? হইতো নেই আমি তোমা অন্তরে।
নারীরা জানে যাহেলিয়া যুগে নারীরা ছিল দাসী, আজিকে তারা চলিবে তাই পুরুষের পাশাপাশি। গুন্ডি ছেড়ে, বন্ধন চিরে তারা চাই আজি সাম্য, হবেনা কো ভেদাভেদ, নর নারীতে এটাই তাদের কাম্য।
ফুটিলো পুষ্প কলি গহীন গহনে, ছড়ায়ে লুব্ধ ঘ্রাণ গগনে পবনে। ছুটিছে সহস্র মৌ ঐ পুষ্প তরে, ফুটিনু যদিও কলি অতি অগোচরে।
নিশাকর সবিতারে ডাকিয়া কই, “তোর দিকে কেহ কভু নাহি ফিরে চাই, অনম্বরে আমি যখন উঠিয়া বসি, মর্ত্যলোকের সর্ব মুখে পাই শোভা হাসি।
আমি নষ্ট – হইতো এই কথাটি আমার বুকে দেয় যে বেশী কষ্ট; বাবা – মা কিংবা সমাজ চাইছে হেয় দৃষ্টিতে, আমি কি নষ্ট ছিলাম, আমার দেহ সৃষ্টিতে? এই সমাজের কেউ চাহেনা, কেউ বাসেনা ভাল মোরে, আমায় দেখে মুখ ঘুরায়, বাকে ঘৃণা ঝরে অগোচরে।
একদিন-এই তুমি পাশে ছিলে বুকে মাথা রেখে বলেছিলে, “ভালবাসি, ভালবাসি- আমাকে ভুলো না।” আমার অশ্রুতে অশ্রু ফেলেছিলে নেত্র দিয়ে খুজেছিলে নেত্রের বন্ধন।
ভেঙ্গে ফেল ঐ লৌহ পিঞ্জর খুলে ফেল ওর দ্বার, যেথায় তোমা সর্বসত্ত্বা হয়েছে অন্ধকার। তুলে ফেল ঐ দাসত্ব চিহ্ন বল উন্নত শিরে, এ ভুবনের শ্রেষ্ঠা মোরা আর রইবোনা অগোচরে।
জটিল হচ্ছে জীবন যদিও মিথ্যা হচ্ছে প্রবল, অকল্যাণ আসিছে চারিধার হতে বিশ্বাসে বাঁধছে ফাটল।
নারী সে তো মা – স্বর্গ যে তার পদতলে, সে কথা আজি ভুলিয়া নারী কোন সে পথে চলে? যে নারী রহিবে গৃহে সে আজি চলিছে বিশ্বময়, দেহ দিয়ে সে আজি করিবে দুর্বার বিশ্ব জয়।
মুখ লুকিয়ে মুখোশে ঐ দেখনা কে আসে হাদারামের গাধা ছেলে দাত খিচিয়ে ঐ হাসে।